সম্পাদকীয় কিছু হলুদ সাংবাদিকদের কারনে সঠিক সাংবাদিকেরা আজ সমাজে মুখ থুবড়ে পড়েছে   – ২৪ বাংলাদেশ নিউজ
সোমবার , ২৬ জুলাই ২০২১ | ১৯শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. গাজীপুর
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকুরীর খবর
  11. ঢাকা
  12. ফটোগ্যালারি
  13. বরিশাল
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

সম্পাদকীয় কিছু হলুদ সাংবাদিকদের কারনে সঠিক সাংবাদিকেরা আজ সমাজে মুখ থুবড়ে পড়েছে  

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
জুলাই ২৬, ২০২১ ৬:৫২ অপরাহ্ণ

 

দেশের জন্য সঠিক সাংবাদিকতা সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।একটা দেশের সাংবাপত্র,গণমাধ্যমকর্মী,সাংবাদিক দেশের সুবিধা বি ত মানুষের সঠিক তথ্য,রষ্ট্রের (ভালো-মন্দ) সঠিক বিষয় সংগ্রহ করে সমাজের সামনে তুলে ধরে আর এটাই তাদের প্রচার মাধ্যমের সফলতা। বৃটিশ উপনিবেশিক থেকে শুরু করে পাকিস্তানি শোষকদের সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা থেকে শুরু করে আজ ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়ে। একটা সংবাদমাধ্যম(প্রিন্ট,ইলেকট্রনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল) দেশে অর্থনৈতিক,রাজনৈতিক,সামাজিক,বিনোদন,খেলাধুলা,আন্তর্জাতি,সমাজে সুবিধা বি ত তথ্যা সর্ব বিষয়েই প্রকাশ করে।একজন পেশাদার সংবাদকর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তথ্য সংগ্রহ করে তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ।কিন্ত বর্তমান ডিজিটাল যুগে কিছু হলুদ সাংবাদিকদের কারনে পেশাদার সাংবাদিকরা সমাজে মুখ থুবড়ে পড়েছে,বিপাকে পড়ছে তথ্য সংগ্রহ করতে যেয়ে। দেখা যায় বর্তমানে কিছু পেশাদার সংবাদকর্মী ছাড়াও সমাজে কিছু অশিক্ষিত, চা দোকানদার,পান দোকানদার,ইলেকট্রিক মিস্ত্রিতারও কখনো কখনো টাকার বিনিময়ে সরকার অনুমোদিত হোক বা অনুমোদন বিহিন কিছু সংবাদ প্রচার মাধ্যমের আইডিকার্ড সংগ্রহ করে নিজেকে সাংবাদি পরিচয় দিয়ে নিরবে সমাজে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে লিপ্ত হচ্ছেন এর কারনে প্রকৃত সাংবাদিকরাও তথ্য সংগ্রহ করতে যেয়ে হতে হচ্ছে নির্যাতনের শিকার। অনেকের কাছ থেকে জানা যায় এখনো সময় আছে তাই সমাজ থেকে অশিক্ষিত ও এধরনের হলুদ সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে সমাজের সামনে তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে তা না হলে এধরনে হলুদ সাংবাদিকরা ভবিষ্যতে আরো ভয়ংকর রূপ ধারন করবে।এমনও শোনা যায় অনেক অশিক্ষিত ও হলুদ সাংবাদিকরা কোন জায়গায় সমাজের অপরাধ মুলক কর্মকা-ে তথ্য পেলে তারা সেখানে ছুটে যায় এবং ঐ সমস্ত অপরাধীদের কাছে মোটা অংকে টাকাও দাবি করে তখন তারা তাদের সাধ্য মত টাকা দিয়ে অপরাধ কাজ চালিয়ে যায় দিনের পর দিন।এদেকে সমাজের অনেকেই বলেন সাংবাদিকরা জাতির বিবেক,তারা সমাজের দর্পন তাহলে তারা কেনো অপরাধীদের কাছ থেকে টাকা চাইবে। আজ এসমস্ত অপ-সাংবাদিকতা থেকে বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে,এমনও শোনা যায় এধরনে হলুদ( ুবষষড়ি লড়ঁৎহধষরংঃ) কার্ডধারী এমনকি সমাজে কিছু অসৎ পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক করেও সমাজের অনেক নিরাপদ ব্যক্তিদের তথ্য এরা ব্যবসায়ি,চাকরিজীবী সম্পর্কে সঠিক তথ্য না জেনে অপব্যাখ্যা দিয়ে কেউ কেউ ভয়-ভীতি দেখিয়ে অসৎ ভাবে টাকাও নিয়ে থাকে তাহলে কোথায় থকলো সমাজের বিবেক? অনেক ব্যবসায়িরাও জানান যারা অসৎ ব্যবসা করছে তাদের অপরাধ উদ্ঘাটন বা অসৎ চাকরিজীবী তাদের সঠিক তথ্য তুলে ধরেন,কিন্তু না বর্তমান সমাজে কিছু হলুদ সাংবাদিকরা আবার ছোট মুদি ব্যবসা থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে যায় এবং তারা তো কখনোই সংবাদ তৈরি তো করতে পারেন না এমনকি সঠিক ভাবে ঐ অপরধীকে তাদন্ত সম্পর্কেও কোন প্রশ্নে উত্তর এই হলুদ সাংবাদিকরা দিতে পারেনা। এমনকি যাদের কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বলতে কিছুই নেই মানে অশিক্ষিত ব্যক্তি,পান দোকানদার,ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি বা যাদের কোন সংবাদ কোন দিনও কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়নি বা প্রকাশ হয়েছে এমন কোন প্রমানাদিও দেখাতে পারে না তারা আবার কিভাবে সাংবাদিক পরিচয় দেয়? তাই আসুন এধরনে অপ-সাংবাদিকতা যারা লিপ্ত আছে তাদেরকে খুজে সমাজে তাদের মুখোশ খুলে আইনের আওতায় আনি।একটা দেশের সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদি দেশে প্রান। দেশ,সমাজ,রাষ্টের তথ্য ভালো-মন্দ সর্বপরি তুলে ধরে তাই আবার বলা যায় সমাজে হলুদ সাংবাদিকদের আইনের আওতায় এনে প্রকৃত সাংবাদিকদের কাজ করার জন্য সুযোগ করে দিতে হবে দেশ ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ করি। সমাজের কেউ যেনো সাংবাদিক পেশাকে পিছনে গাল-মন্দ দিতে পারে এ ধরনের অপ-সাংবাদিকদের জন্য সেদিকে সবাকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রবাদে আছে”বন্যেরা বনে সুন্দর,শিশুরা মাতৃ কোলে”।দেশ,সমাজ তথা রাষ্ট্রকে সঠিক ভাবে পরিচালনায় সঠিক প্রতিনিধিত্ব ও সংবাদমাধ্যের মধ্য দিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে আসতে হবে।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ