৪ বছরের প্রকল্প শেষ হয়নি সাড়ে ৯ বছরেও – ২৪ বাংলাদেশ নিউজ
রবিবার , ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. গাজীপুর
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকুরীর খবর
  11. ঢাকা
  12. ফটোগ্যালারি
  13. বরিশাল
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

৪ বছরের প্রকল্প শেষ হয়নি সাড়ে ৯ বছরেও

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১ ১২:১৫ অপরাহ্ণ

৪ বছরের বিআরটি প্রকল্প শেষ হয়নি সাড়ে ৯ বছরেও। নতুন নির্ধারিত সময় ২০২২-এর ডিসেম্বরেও তা হবে কি না সন্দিহান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরাই। পাশাপাশি সামনে এসেছে নকশায় ক্রুটির বিষয়টিও।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবদুল্লাহপুর, ভোগরা ও গাজীপুর চৌরাস্তায় ইন্টারচেঞ্জ সঠিক হয়নি, এতে যানজট না কমে উল্টো বাড়বে।

৪ বছরের উন্নয়ন যন্ত্রণা, সাড়ে ৯ বছরেও যখন শেষ হয় না, সাধারণের তখন অভিযোগ ছাড়া আর কি-ই করার থাকে। সীমাহীন দুর্ভোগ আর কাজে ধীরগতির বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিমানবন্দর-গাজীপুরের ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়কে চলমান বিআরটি প্রকল্প।

২০০৫ সালে ২০ বছরের পরিবহন পরিকল্পনার আওতায় নেয়া এ প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০১২ সালে। ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪০ কোটি টাকা। ২০১৬য় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ৯ বছর পর প্রকল্প এগিয়েছে মাত্র ৬১ দশমিক ছয় তিন শতাংশ। সঙ্গে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি টাকায়।

যেকোন প্রকল্পের সফলতা নির্ভর করে যথাযথ পরিকল্পনার উপর। কিন্ত বিআরটি প্রকল্পের ক্ষেত্রে সেটি অনুসরণ করা হয়নি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, প্রকল্প শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তিন চার দফা নক্সায় পরিবর্তণ আনতে হয়েছে।

নকশা পরিবর্তনে বাড়ছে ব্যয়, সেই সঙ্গে দিন দিন অসহনীয় হয়েছে উঠেছে সড়কের তীব্র যানজট।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, গাজীপুর চৌরাস্তায় দুটি ন্যাশনাল হাইওয়ে ক্রস করেছে। ওখানে যে ফ্লাইওভার বানানো হয়েছে তাতে ন্যাশনাল হাইওয়ের ডিমান্ড ফিলাপ করে না। ভবিষ্যতে, ভোগরা, আবদুল্লাহপুর ও চৌরাস্তায় সাফার করবে। এটি ইকোনমিক করিডোর। একজনকে সুবিধা দিতে গেলে অন্যজনতো অসুবিধায় পড়বেই। আবদুল্লাহপুর, ভোগরা ও চৌরাস্তা ইন্টারচেঞ্জ সমন্বয় করা দরকার ছিল। ভুল জায়গায় বিআরটি করেছি। এসটিপিতে এটা ছিল না।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাস্তার দুই পাশে ৩২টি ইউটার্ন, কয়েকটি ফ্লাইওভার আছে। স্থানীয় মানুষের চলাচলে সমস্যা হবে, ভবিষ্যতে আরো যানজট হবে। এটা সংশোধন করা দরকার। যেটা হাইওয়ে রাস্তা ছিল, বিআরটির কারণে এটা লোকাল রাস্তা হয়ে যাবে।

এ প্রকল্পের ১৬ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন-প্রশস্তের কাজ করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। বাকি সাড়ে ৪ কিলোমিটার উড়াল সড়ক, বিআরটি লেন, স্টেশন ও ১০ লেনের একটি সেতু নির্মাণ করছে সেতু বিভাগ। গত ৯ বছরে এ দুই সংস্থার প্রকল্প পরিচালক হয়ে এসেছেন ৭ থেকে ৮ জন।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, যে এই কাজ কোনো দিন করেনি, তাহলে তাকে দিয়ে কাজ আদায় করাবেন কীভাবে। পিডি হলেন, কিন্ত এই কাজ কখনো করেননি। সরকারও আপনাকে ট্রেনিং দিয়ে দেয়নি। পিডি বানানোর আগে প্রিরিকুজিট থাকা দরকার। কাজের ভুল হলে কেউ দায় নেয় না।

বিআরটি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, মূল কাজটা হলো ঠিকাদার আর কনসালটেন্টের। এতো বড় কাজ শেষ করার জন্য পিডিরা ফর্মালিটি মেইনটেন করে, ছোট খাট ডিসিশন দিতে হয়। পিডি চেঞ্জ হলে যে কাজে প্রভাব পড়ে তা না। নক্সার কিছু ভুল থাকতেই পারে। এ বিষয় নিয়ে আমরা বসবো।

পরিচালকের দাবি, প্রকল্পের কারণে সড়কে জন-ভোগান্তি হচ্ছে না, এর দায় ট্রাফিক বিভাগের। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ধীরগতির কারণে তা হবে কি-না সন্দিহান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরাই।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশে নিউজ/বরকত উল্লাহ

 

সর্বশেষ - অর্থনীতি