শনিবার , ৮ অক্টোবর ২০২২ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. খেলা
  7. চাকুরীর খবর
  8. ফটোগ্যালারি
  9. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. বিবিধ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

রাশিয়া ও ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে সংযুক্তকারী একমাত্র রেলসেতুতে আগুন

প্রতিবেদক
বার্তা কক্ষ
অক্টোবর ৮, ২০২২ ২:০০ অপরাহ্ণ

রাশিয়া ও ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে সংযুক্তকারী একমাত্র রেলসেতুতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
শনিবার (৮ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্চ প্রণালির ওপর অবস্থিত সেতুটিতে একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কে আগুন ধরে গেছে। তবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।
ফুটেজে দেখা গেছে, রেলসেতুসহ পাশের সড়ক সেতুতেও আগুন জ্বলছে। সেইসাথে একটি ট্রেনের দুটি বগিতে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
টেলিগ্রাম অ্যাপে পোস্ট করা আরেক ভিডিওতে দেখা গেছে, সেতুর ওপর আগুনে জ্বলছে একটি ট্রাক। তবে সেটি বিস্ফোরণের কারণেই আগুন ধরেছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। বর্তমানে এই সেতুটি ইউক্রেনে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে ব্যবহার করে রাশিয়ান সেনাবাহিনী।
ক্রিমিয়ায় নিযুক্ত রাশিয়ান উপদেষ্টা ওলেগ ক্রিয়ুচকভের বরাতে রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা রিয়া জানিয়েছে, সেতুটির আগুন নেভাতে কাজ চলছে। সেখানে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, সেতুটিতে বিস্ফোরণ কথা জানিয়েছে ইউক্রেনের গণমাধ্যম। শনিবার ভোর ছয়টার দিকে এ বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানিয়েছে তারা।
এই সেতুটি ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর অন্যতম লক্ষ্যবস্তু। ২০১৮ সালে এটি উদ্বোধন করেন ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে এটি ১০০ মাইল দূরে অবস্থিত। তবে, আগুন লাগার ঘটনা মিসাইল হামলার ফলে ঘটেনি বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন একজন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ।
তিনি বলেন, সেতুর আশেপাশে ক্ষয়ক্ষতির লক্ষণ না থাকায় ধরে নেয়া যায় সেখানে আকাশ থেকে ছোঁড়া অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। তবে সেতুর নিচ থেকে সুপরিকল্পিত হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এদিকে, এ ঘটনার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘ক্রিমিয়া, এই সেতু, সবকিছুর শুরু। অবৈধ সবকিছু ধ্বংস করে দিতে হবে, চুরি যাওয়া সবকিছু ইউক্রেনকে ফিরিয়ে দিতে হবে, রাশিয়ার দখলে থাকা সবকিছু অপসারণ করতে হবে।’
এই সেতুটি রাশিয়ার জন্য বিশেষ প্রতীকী তাৎপর্য বহন করে। এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে দক্ষিণাঞ্চলে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য আর একটি রেললাইন অবশিষ্ট রইলো।
অস্ট্রেলীয় সামরিক বিশ্লেষক মিক রায়ান বলেন, এই সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে ক্রিমিয়ায় সরবরাহ একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে না, যেহেতু সেজন্য নৌপথ রয়েছে। তবে মেলিতোপোলের দখল ধরে রাখা এখন রাশিয়ার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়লো।

সর্বশেষ - সারাবাংলা