সোমবার , ১৭ অক্টোবর ২০২২ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. খেলা
  7. চাকুরীর খবর
  8. ফটোগ্যালারি
  9. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. বিবিধ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

কোনো অভিযোগ ছাড়াই শেষ হলো জেলার পরিষদ নির্বাচন

প্রতিবেদক
বার্তা কক্ষ
অক্টোবর ১৭, ২০২২ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ

কোনো অভিযোগ ছাড়াই শেষ হলো জেলার পরিষদ নির্বাচন। প্রথমবার দেশজুড়ে ইভিএমে ভোট হলো এই নির্বাচনে। ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে মাঠে ছিলেন ৯৪ জন নির্বাহী হাকিম।
ছিলো র‌্যাব ও বিজিবির তৎপরাতও। জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, এমন পরিবেশে ভোট হলে কোন প্রশ্ন উঠবে না। ভোট নেয়া শেষে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন সিইসিও।
পাঁচবারের ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার। তবে এবারই প্রথম ইভিএম মেশিনে ভোট দেবেন। কেন্দ্রের নিরপত্তা ব্যবস্থা কিছুটা অবাক হলেন। জানালেন, এমন কঠোর ভোট আগে কখনও দেখেননি।
ভোটারের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সবাই জনপ্রতিনিধি। সবারই আছে নিজস্ব মত ও আদর্শ। তবে একটি বিষয়ে তারা একমত।
ছোট এই নির্বাচনে এবার বড় আয়োজন করেছে কমিশন। ভোটের মাঠে এমন শক্ত অবস্থান থাকলে ভোটারদের আস্থা ফিরবে বলেও মনে করেন তারা।
৫৭টি জেলা পরিষদের ৬০ হাজার ৮৬৬ জন প্রতিনিধি এই নির্বাচনের ভোটার। সোমবার সকাল নয়টা থেকেই পুরো কমিশনের উপস্থিতি ছিলো কমিশন ভবনের কন্ট্রোল রুমে।
৪৬২টি ভোট কেন্দ্রের ৯২৫টি বুথেই ছিলো গোপন ক্যামেরা। প্রায় চৌদ্দশ সিসিটিভি সারাক্ষণ গোপন কক্ষের নজরদারি করেছে।
কোথাও কোন অসংগতি মনে হলেই বড় মনিটরে তা দেখেছেন কমিশনের সদস্যরা। তবে, কোন কোন ধরা পড়েনি। তাই সন্তুষ্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনারও।
বেলা ২টায় ভোট শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসে সিইসি বলেন, ৫৭ জেলা পরিষদের নির্বাচন হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। ভেতরে আমরা পর্যবেক্ষণ করেছি, কোনো রকম অনিয়ম, সহিংসতা, গোলযোগ, গণ্ডগোলের তথ্য আমাদের কাছে আসেনি। আমরাও দেখিনি, টেলিফোনেও যেসব সংবাদ পেয়েছি, ভোট সুন্দর ছিল, আমরা সন্তুষ্ট।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি স্বচ্ছ নির্বাচন চাই, শুধু ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আজকে গোপন কক্ষে কোনো দ্বিতীয় ব্যক্তি যাননি। তিনি বলেন, আমরা শুরু থেকেই মনিটরিং সেলে অবস্থান করেছি।
সিইসি বলেন, সিসিটিভির মাধ্যমে আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হলো। আগামীতে আপনাদের সকলকে আরো ভালো সুযোগ করে দেবে সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের।
সবার ভোটাধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে ইসি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে সিইসি বলেন, আজ আপনারা দেখেছেন, ভোট কক্ষে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি যায়নি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে যারা ভোটার, তারা ভোট দিয়েছেন। ভোটার সংখ্যা কম এখানে; দেখে সবাইকে ভদ্র, মার্জিত মনে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গাইবান্ধায় যেটা হয়ে গেছে, সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে আমাদের পর্যবেক্ষণ ছিল। তারপরে বেশ গুরুতর অনিয়ম আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। কমিশন বাধ্য হয়ে নির্বাচনটা বন্ধ করে দিয়েছে। তো সেখান থেকে একটা মেসেজ এসেছে, যে সিসি ক্যামেরা দিয়ে যেভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়, যারা ভোটার বা প্রার্থী; তারা যদি গুরুতর অনিয়ম করেন, তাহলে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমাদের মনে হয়, ওটার একটা ইতিবাচক প্রভাব এই নির্বাচনে পড়েছে।
গাইবান্ধার ভোট বন্ধ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, তদন্ত রিপোর্টের পর গাইবান্ধার ভোট নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। জাতীয় নির্বাচনে বড় সক্ষমতা তৈরির চেষ্টা থাকবে। তখন বিষয়টি দেখা যাবে।
সিসি ক্যামেরা হ্যাঙ করার বিষয়ে তিনি বলেন, হ্যাঙ করলেও তা সংশোধন করা হয়েছে। এজন্য ভোট দিতে পারেনি তা নয়। হাজার হাজার ক্যামেরা বসানো হচ্ছে, সেখানে দু-একটা এমন হতে পারে। অনেকের যেমন আঙ্গুলের ছাপ প্রথমে মেলেনি। পরে মিলেছে। একজনও ভোট দিতে পারেনি এমন হয়নি।
গাইবান্ধা উপ নির্বাচনের মতই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ঢাকার মনিটরিং সেল থেকে সব জেলার ভোটের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন সিইসি হাবিবুল আওয়াল। নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, আনিছুর রহমান ও মো. আলমগীর এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।
চেয়ারম্যান পদে লড়েছেন ৯২ জন। সদস্য পদে ১৪৮৫ জন। আর সংরক্ষিত মহিলা পদে ৬০৩ জন। দুই জেলায় তিনটি পদেই বিনা প্রতিদন্দিতায় বিজয়ী হন সবাই। এছাড়া আরো ২৪টি জেলা পরিষদে কেবল চেয়ারম্যান একক প্রার্থী হওয়ায় বিনা ভোটে নির্বাচিত হন।

সর্বশেষ - সারাবাংলা

আপনার জন্য নির্বাচিত