সোমবার , ৯ জানুয়ারি ২০২৩ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. খেলা
  7. চাকুরীর খবর
  8. ফটোগ্যালারি
  9. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. বিবিধ
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. শিল্প ও সাহিত্য

সূর্যের দেখা মিললেও কমেনি শীত, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

প্রতিবেদক
বার্তা কক্ষ
জানুয়ারি ৯, ২০২৩ ১:৫২ অপরাহ্ণ

টানা চারদিন শীতে কাঁপার পর সোমবার সকালে সূর্যের দেখা মিলেছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও কমেনি শীতের প্রকোপ। ঘন কুয়াশায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তি বেড়েছে জনজীবনে। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, ১২ জানুয়ারির পর ঢাকায় হালকা বৃষ্টি ও ১৫ জানুয়ারি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ছানাউল হক মণ্ডল বলেন, ভোর ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একইসাথে কিছু কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। দিনের তাপমাত্রা কমে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিমাণে বাড়বে।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আজ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অব্যাহত রয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস সেখানে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে । এর আগে রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সপ্তাহজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ এর মধ্যে থাকলেও সোমবার ৮ এর নিচে নেমে শৈত্যপ্রবাহ আরও মাঝারি পর্যায়ে রুপ নিয়েছে।
লালমনিরহাটে রোদ ঝলমলে সকাল দেখা গেলেও গত কয়েকদিনের তুলনায় কমেছে তাপমাত্রা। সকাল ৯টায় জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশার পাশাপাশি কনকনে ঠান্ডা বাতাসে অব্যাহত আছে জনজীবনে ভোগান্তি।
এছাড়া সোমবার রাজশাহীতে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রাজশাহী অঞ্চলে শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আগামী দিনে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। জানুয়ারি মাস জুড়েই শীতের বেশ প্রকোপ থাকবে। চলতি মাসে আসতে পারে আরো দুটি শৈত্যপ্রবাহ।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও নেই কোনো উত্তাপ। এতে কষ্টে আছেন খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। সকালে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন তারা। হঠাৎ করেই শীত অনুভুত হওয়ায় অনেকের শরীরেই উঠেছে শীতের কাপড়।
আগাম প্রস্তুতি না থাকায় হঠাৎ শীতে বিপাকে পড়েছে সাধারণ ও ছিন্নমূল মানুষ। শীতে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিকাজ। তীব্র ঠান্ডায় দেখা দিচ্ছে শীতজনিত নানা রোগ। হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা।
এদিকে ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শরীয়তপুর-চাঁদপুর এবং ১২ ঘণ্টা পর লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
সারা দেশে শীতের প্রকোপে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, ডায়রিয়া ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য রোগী ভর্তি হচ্ছেন। শীতজনিত এসব রোগ থেকে রক্ষা পেতে শিশুদের ক্ষেত্রে শীত থেকে রক্ষা করতে অভিভাবকদের বাড়তি যত্ন নেওয়াসহ বয়স্কদের শীতের পোশাক পরে বাইরে বের হওয়াসহ চিকিৎসকরা নানা পরামর্শ দিচ্ছেন।

সর্বশেষ - সারাবাংলা